jerseyspecialized লেখালেখি – MUAZZEM http://muazzem.com Journalist and IT Personality Thu, 24 May 2018 20:39:27 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=4.8.6 জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক http://muazzem.com/%e0%a6%9c%e0%a6%97%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a6%b2-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a7%80-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%80-%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%be/ http://muazzem.com/%e0%a6%9c%e0%a6%97%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a6%b2-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a7%80-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%80-%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%be/#respond Sun, 02 Jul 2017 21:07:53 +0000 http://muazzem.com/?p=13472

মোয়াজ্জেম হোসাইন সাকিল ঃ

গৌতম বুদ্ধ নেপালের শাক্যরাজ শুদ্ধোধন ও রাণী মহামায়ার সংসারে জন্মগ্রহণ (খৃস্ট-পূর্ব ৫৬৩ সালে) করলেও রাজকীয় ভোগ-বিলাস ও সুখ ত্যাগ করে জগতের সকল প্রাণীকে সুখী করতে কঠোর সাধনায় ব্রত হন। ঘুরে বেড়ান বনে-বাদাড়ে। তপোবনের সন্ন্যাসীদের কাছে ধ্যানের কৌশল রপ্ত করে ডুবে যান ধ্যানে। বুদ্ধের মূলমন্ত্র “সব্বে সত্তা সুখিতা ভবন্ত”। অর্থাৎ জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক। বুদ্ধ বলেছেন, জগতে কর্মই সব। মানুষ তার কর্ম অনুসারে ফল ভোগ করবে। ভাল কাজ করলে ভাল ফল এবং খারাপ কাজের জন্য খারাপ ফল পাবে। কর্মানুসারে মানুষ অল্প আয়ু, দীর্ঘ আয়ু, জটিল ব্যাধিগ্রস্ত, নিরোগ, বিশ্রী-সুশ্রী, সুখী-দুঃখী, উঁচু-নিচু, জ্ঞান-মূর্খতা ইত্যাদি প্রাপ্ত হয়। মানুষ কর্মের অধীন।
আমি বুদ্ধ সম্পর্কে প্রথম জানি রবীন্দ্রনাথে সাহিত্যে। বৌদ্ধআখ্যান নিয়ে রবীন্দ্রনাথ কোনো উপন্যাস রচনা করেননি। তবে ‘ঘরে বাইরে” (১৯১৬) উপন্যাসে নিখিলেশের আত্মকথায় এবং ‘শেষের কবিতা’ (১৯২৯) উপন্যাসে ১৩শ পরিচ্ছেদের প্রাসঙ্গিক উক্তিতে বুদ্ধপ্রসঙ্গ রয়েছে। ‘শোধবোধ’ (১৯২৬) নাটকে বুদ্ধদর্শনের প্রভাব নেই, কিন্তু বুদ্ধপ্রসঙ্গের উল্লেখ রয়েছে। যেমন সতীশ ও নলিনীর সংলাপে- “তুমি তো তুমি, এখানে স্বয়ং বুদ্ধদেব এসে যদি দাঁড়াতেন, আমি দুই হাত জোড় করে পায়ের ধুলো নিয়েই তাঁকে বলতু”।
রবীন্দ্রনাথের পারিবারিক আবহেও ছিল বৌদ্ধ দর্শনের প্রভাব। তাঁর ভাই দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘আর্যধর্ম এবং বৌদ্ধধর্মের পরস্পর ঘাতপ্রতিঘাত ও সঙ্ঘাত’ (১৮৯৯) এবং সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘বৌদ্ধধর্ম’ (১৯০১) গ্রন্থদুটিই তার প্রমাণ বহন করে।
সারনাথে মূলগন্ধকুটিবিহার প্রতিষ্ঠা-উপলক্ষে ‘বুদ্ধদেবের প্রতি’ নামের এক কবিতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বুদ্ধদেবের নামের মহিমা প্রচার করেছেন। তিনি লিখেছেন-
বুদ্ধদেবের প্রতি
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ওই নামে একদিন ধন্য হল দেশে দেশান্তরে
তব জন্মভূমি।
সেই নাম আরবার এ দেশের নগর প্রান্তরে
দান করো তুমি।
বোধিদ্রুমতলে তব সেদিনের মহাজাগরণ
আবার সার্থক হোক, মুক্ত হোক মোহ-আবরণ,
বিস্মৃতির রাত্রিশেষে এ ভারতে তোমারে স্মরণ
নবপ্রাতে উঠুক কুসুমি।
চিত্ত হেথা মৃতপ্রায়, অমিতাভ, তুমি অমিতায়ু,
আয়ু করো দান।
তোমার বোধনমন্ত্রে হেথাকার তন্দ্রালস বায়ু
হোক প্রাণবান।
খুলে যাক রুদ্ধদ্বার, চৌদিকে ঘোষুক শঙ্খধ্বনি
ভারত-অঙ্গনতলে, আজি তব নব আগমনী,
অমেয় প্রেমের বার্তা শতকণ্ঠে উঠুক নিঃস্বনি-
এনে দিক অজেয় আহ্বান।

বুদ্ধকে মূল্যায়ন করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছিলেন- “একদিন বুদ্ধ বললেন, আমি সমস্ত মানুষের দুঃখ দূর করব। দুঃখ তিনি সত্যিই দূর করতে পেরেছিলেন কিনা সেটি বড়ো কথা নয়। বড়ো কথা হচ্ছে- তিনি এটি ইচ্ছা করেছিলেন, সমস্ত জীবের জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন।”

কবিগুরুর মতো ব্যক্তিগতভাবে আমিও গৌতম বুদ্ধের এই ইচ্ছা এবং আত্মোৎসর্গকে শ্রদ্ধা করি। আমিও মাঝে মাঝে ভাবি- মানুষ আর মশার মতো পরষ্পর বিরোধীরাও কিভাবে একসাথে সুখী হওয়া যায়। কিভাবে সুখী হওয়া যায় বৌদ্ধ আর রোহিঙ্গা! কিভাবে একসাথে সুখী হওয়া যায় সাপে-নেউলে সম্পর্কগুলো।

সূত্রনিপাত গ্রন্থের মৈত্রীসূত্রে বলা হয়েছে: ‘সভয় বা নির্ভয়, হ্রস্ব বা দীর্ঘ, বৃহৎ বা মধ্যম, ক্ষুদ্র বা স্থূল, দৃশ্য অথবা অদৃশ্য, দূরে অথবা নিকটে যে সকল জীব জন্মগ্রহণ করেছে বা জন্মগ্রহণ করবে, সে সকল প্রাণী সুখী হোক।’

এই সুখী হওয়ায় অবশ্যই রোহিঙ্গারাও আছেন। কাজেই রোহিঙ্গারাও সুখী হোক- প্রত্যাশাটা করতেই পারি। বরং মশার জন্য সুখ প্রত্যাশা করতে গিয়েই তালগোল পাকিয়ে ফেলি। কেম্নে কি?

]]>
http://muazzem.com/%e0%a6%9c%e0%a6%97%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a6%b2-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a7%80-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%80-%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%be/feed/ 0
ষোল আনাই মিছে আমার! http://muazzem.com/%e0%a6%b7%e0%a7%8b%e0%a6%b2-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0/ http://muazzem.com/%e0%a6%b7%e0%a7%8b%e0%a6%b2-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0/#respond Sun, 02 Jul 2017 21:01:56 +0000 http://muazzem.com/?p=13468 মোয়াজ্জেম হোসাইন সাকিল ঃ
মানুষই একমাত্র প্রাণী, যারা মাত্র দুইটি পা দিয়ে এতো সুন্দর করে হাঁটতে পারেন। দিনের পর দিন চেষ্টার পর মানুষ এই হাঁটার দক্ষতা অর্জন করেছেন। যাদের পা আছে; কম-বেশি সবাই হাঁটতে পারেন। অথচ সব মানুষ সাঁতার জানেন না। উড়তে জানেন না। তারা সাঁতার কিংবা উড়ার জন‌্য একদিনও চেষ্টা করে দেখেননি। হতাশ! অথচ একটু চেষ্টা করলেই হয়তো শিখে নিতে পারতেন। হাঁটতে শেখার জন‌্য যতদিন দরকার; সাতাঁর আর উড়তে শেখার জন‌্যও ততদিন দরকার হবে বললে হয়তো মানুষ এর নামও ধরতেন না।
আমি নিজেও উড়তে জানিনা। কিন্তু হাঁটতে জানি আর সাঁতার জানি। তবে উড়ার ধারণা আছে। ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৫ হাজার ফিট উপরে মেঘেরও উপর দিয়ে চলাচলের সময় বিমানবালারা অসংখ‌্যবার উড়ার প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। মোটামুটি উড়ার আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছে। কিন্তু বাস্তব প্রশিক্ষণ, চর্চা এবং মহড়া খুবই জরুরী। আর এই সুযোগ না হলে ষোল আনাই মিছে আমার।
আমি সুইমিংপুলে সাঁতারের ছবি পোষ্ট করার পর অনেকেই বলছেন, আপনারা সাঁতার জানেন না। আপনাদের জন‌্য চমৎকার সুযোগ আছে।
দেখেন আমরা কতো সুন্দর করেই দুই পায়ে হাঁটতে জানি। আর হাঁটা শিখেছি কত মাস/বছর চেষ্টা করে? কম সময় না কিন্তু। কত শত বার পড়ে গিয়েছিলাম হাঁটতে গিয়ে! এই হিসেব আমাদের হয়তো কারো কাছেই নেই। এতো পরিশ্রমের বিনিময়েই আজ আমরা হাঁটতে পারি। হেলিয়ে দুলিয়ে হাঁটি। ফ‌্যাশন শোতে হাঁটি। মহড়ায় সমবেত পায়ে কসরত করি। ভয়ানক সুন্দর! তাই না? আমরা এক পায়েও দাঁড়াতে পারি। লাফ দিতে পারি। ফুটবল খেলতে পারি, দৌঁড়াতে পারি, ক্রিকেটে রান নিতে পারি। আরো কতো কিছু যে করি এই দু’টি মাত্র পায়ের উপর ভর করে।
অথচ হাঁটার চেয়েও সাঁতার অনেক সহজ। হাঁটার সময় গ্রাভিটি আর মধ্যাকর্ষণের যতোটা চাপ থেকে, সাঁতারের সময় ততোটা থাকে না। আর সাঁতারের সময় কেবল দু’টি পা নয়; পুরোটা শরীরই প্রয়োগ করতে পারি। উড়াটা মনে হয় আরো সহজ হবে। কেবল মধ্যাকর্ষণ শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বাতাসের উপর ভর করে উড়ে চলা। উড়ার সময় গ্রাভিটিকে পাত্তা না দিলেও চলবে। কেবল অবতরণের সময় গ্রাভিটির বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে।
অথচ আমরা এই হাঁটা আর উড়ার জন্য জীবনের একটি দিনও ব্যয় করলাম না। নদীপথে জলযানে করে যেতে সাঁতার জানা খুবই জরুরী। আকাশপথে ডাহরবোটে (আকাশযানে) যেতে উড়তে জানা খুবই জরুরী।
সাঁতার আর উড়া শেখার জন্য কক্সবাজার হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে উত্তম স্থান। সাগরে খেলতে খেলতেই প্রথমে সাতাঁরটা শিখে ফেলা যায়। আর একটু লজিষ্টিক সাপোর্টের ব্যবস্থা করতে পারলেই সাগরের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা উঁচু পাহাড় থেকে উড়ে চলা যায় সৈকত কিংবা সাগরের উপর দিয়ে। কেবল বৈদ্যুতিক তারগুলোই একটু ঝামেলা করবে। সাতাঁর আর উড়া যেহেতু এখন একেকটা স্কীল, অবশ্যই আমাদের শিখতে হবে।
আমরা কেবল সার্কাসের হাতিকে উপমা দিই। নিজেদের নিয়ে যে কতো উপমা দেয়ার আছে ভাবতে চাই না।
আজকে আমার স্ট‌্যাটাসটা অনেকের কাছেই অন‌্যরকম মনে হতেও পারে। কিন্তু আমাদের সন্তানদের কাছে সাঁতার শেখা আর উড়তে শেখাটা সত‌্যিই একটি জীবনদক্ষতা হিসেবে দেখা দেবে। এবং ভবিষ‌্যত প্রজন্ম এটি খুব সহজেই রপ্ত করে আপডেট করে নেবেন। এই স্ট‌্যাটাসটা পড়ামাত্র হয়তো এখনই “ভিশন লাইফ জ‌্যাকেট” তৈরির পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছেন RFL কোম্পানী। যে জ‌্যাকেটটি পরিহিত থাকলে সাঁতার এবং উড়া দু’টিই সহজ হয়ে যাবে। তখন কিন্তু আপনাদের বলতে হবে- এটা যে আমার স্বপ্ন ছিল। শেষের লাইনটি মজা করলাম, হা হা হা।
হাঁটতে শিখুন, সাতাঁর শিখুন, উড়তে শিখুন। হাঁসতেও শিখুন, শিখতে থাকুন, শিখতে থাকুন। আর শিখে শিখে আমাকেও শেখাবেন কিন্তু।

সুকুমার দা’র ষোল আনাই মিছে’র শেষ প‌্যারাটা পড়ি-
খানিক বাদে ঝড় উঠেছে, ঢেউ উঠেছে ফুলে,
বাবু দেখেন, নৌকাখানি ডুবলো বুঝি দুলে!
মাঝিরে কন, একি আপদ! ওরে ও ভাই মাঝি,
ডুবলো নাকি নৌকা এবার? মরব নাকি আজি?
মাঝি শুধায়, সাঁতার জানো?- মাথা নাড়েন বাবু,
মূর্খ মাঝি বলে, মশাই, এখন কেন কাবু?
বাঁচলে শেষে আমার কথা হিসেব করো পিছে,
তোমার দেখি জীবন খানা ষোল আনাই মিছে!

]]>
http://muazzem.com/%e0%a6%b7%e0%a7%8b%e0%a6%b2-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0/feed/ 0
ফেইসবুক স্ট্যাটাস কিংবা ডাস্টবিনের চিরকুট http://muazzem.com/%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%ac%e0%a6%be/ http://muazzem.com/%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%ac%e0%a6%be/#respond Sun, 02 Jul 2017 20:43:18 +0000 http://muazzem.com/?p=13461 মোয়াজ্জেম হোসাইন সাকিল ঃ

আগে যা খুশি মনে আসতো- কাগজে লিখে গোল্লা পাকিয়ে ঝুঁড়িতে ফেলে দিতাম। আর এখন ফেইসবুকে লিখে পোষ্ট করে দিই। কাগজে লিখে ঝুঁড়িতে ফেলে দিই কিংবা ফেইসবুকে স্ট্যাটাস দিই। নতুবা সমুদ্র সৈকতে গিয়ে মিষ্টি গলায় সাগরের গর্জনের সাথে মিশিয়ে দিই মনের কথামালা। কি হবে এতে? আপতদৃষ্টিতে মনে হয়; সবই হারিয়ে যাবে। ঝুঁড়ির গোল্লা পাকানো কাগজের চিরকুটটি হয়তো ডাস্টবিন হয়ে কোন ময়লার স্তুপে গিয়ে নিঃশেষ হয়ে যাবে। সৈকতে উচ্চারিত কথামালা হয়তো সমুদ্রের গর্জনের সাথে ভেসে ইতারে হারিয়ে যাবে। আর ফেইসবুকের পোষ্টটি হয়তো কয়েকটি লাইক ও কমেন্টস শেষে তলানিতে পড়ে হারিয়ে যাবে। বাস্তবে কিন্তু তেমনটি ঘটে না। তাহলে কি ঘটে বাস্তবে- ৫ বছর আগেও বার্ডস আই ভিউ পর্যন্ত বুঝতাম। এখন ওমনি ৩৬০ ডিগ্রি ভিউ পর্যন্ত বুঝি। এরও আপডেট কিছু থাকতে পারে। কিন্তু আমার এখনো অজানা। বার্ডস আই ভিউ মানে একটা অবজেক্টকে পাখির মতো উপর থেকে দেখা। আর ওমনি ৩৬০ ডিগ্রি ভিউ বলতে একটি অবজেক্টকে সবদিক থেকে দেখা। আমরা যা কিছু করি সবকিছুই প্রকৃতি ওমনির চেয়েও আরো সর্বাধুনিক কোন প্রযুক্তিতেই ভিডিও করে রাখেন। সেখান থেকে কোন কিছু হারিয়ে যাবার কোন সুযোগই নেই। ধরুন- আপনি আপনার শৈশব থেকে আজকে পর্যন্ত পুরো টাইমলাইনটা একবার দেখার চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে চোখ বন্ধ করে চেষ্টা করুন। প্রকৃতির রেকর্ড করা ভিডিওটি সার্চ করতে থাকুন। হ্যাঁ। এতক্ষণে হয়তো পেয়ে গেছেন। দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছেন টাইমলাইনটা দেখে দেখে। অনেকটা সিনেমার প্লে স্পীড বাড়িয়ে দেখার মতো করে। হ্যাঁ। অনেক কিছুই দেখে ফেলেছেন ইতোমধ্যে। এগুলো এখন আপনি চাইলে অন্য ডাইমেনশন থেকেও দেখতে পারবেন। মানুষ মৃত্যুর ঠিক আগের মুহুর্তে কি দেখে জানেন? তার জীবনের পুরো ভিডিওর টাইম লাইনটাই একবার দেখেন। সেটা খুব দ্রুততার সাথেই দেখেন। তখন আমাদের দিকে কোন মনোযোগই থাকেনা মৃত্যুর পথযাত্রী মানুষের। আপনি এবং আমিও দেখবো। দেখে তখন কি ভাববো? সে অনেক কথা। আরেকদিন বলবো। ইসলাম ধর্মেও কিন্তু উল্লেখ আছে। পৃথিবীতে আমরা যা-ই করি না কেন সব কিছুরই একদিন বিচার হবে। যদি ঝুঁড়ির গোল্লা পাকানো কাগজের চিরকুটটি ডাস্টবিন হয়ে কোন ময়লার স্তুপে গিয়ে নিঃশেষ হয়ে যায়, তাহলে বিচার কিভাবে হবে? সৈকতে উচ্চারিত কথামালা যদি সমুদ্রের গর্জনের সাথে ভেসে ইতারে হারিয়ে যায়, বিচার কিভাবে হবে? আর ফেইসবুকের পোষ্টটি যদি কয়েকটি লাইক ও কমেন্টস শেষে তলানিতে পড়ে হারিয়ে যায়, বিচার কিভাবে হবে? আসলে বিচারের সময় সব কিছুই হাজির হবে। কাজেই কোন কিছুই হারিয়ে যেতে পারবে না। মিচিও কাকুর ‘প্যারালাল ওয়ার্ল্ডস’ ও স্টিফেন হকিং এর ‘ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম’ এবং ‘গ্র্যান্ড ডিজাইন’ বই ৩টি পড়ে পড়ে আমি অবাক হয়ে যাই। এছাড়া অ্যালেন গুথের ‘ইনফ্লেশনারি ইউনিভার্স’, আলেকজাণ্ডার ভিলেঙ্কিনের ‘মেনি ওয়ার্ল্ডস ইন ওয়ান’, ব্রায়ান গ্রিনের ‘হিডেন রিয়ালিটি’ এবং লরেন্স ক্রাউসের ‘দ্য ইউনিভার্স ফ্রম নাথিং’ এসব বইগুলোও আমাদের ম্যাচিউরিটির জন্য চমৎকার। এসব বিখ্যাত গবেষণা গ্রন্থগুলো অধ্যয়নের পর বুঝতে পারি। আপনার একটি চিন্তাও কিন্তু হারিয়ে যায় না। অথচ এই চিন্তাটি কি চিন্তা সেটা আপনি ছাড়া অন্য কেউ জানেও না। কিন্তু এই চিন্তা কিভাবে হারিয়ে যাবে না? অদ্ভুত ব্যাপার, তাই না? হয়তো আপনি আজকে যে চিন্তাটি করলেন, সেটি আপনি বাস্তবায়ন করতে পারলেন না। একদিন হয়তো আপনার একই চিন্তাটি আপনার সন্তান কিংবা নাতির মগজে প্রতিফলিত হবে এবং বাস্তবায়িত হবে। তাহলে আমরা একান্তে যে চিন্তা ভাবনাগুলো করি, সেগুলোও অনেক শক্তিশালী। অদ্ভুত ব্যাপার তো! হ্যাঁ, আসলেই অদ্ভুত ব্যাপার। আমরা যদি ভালো কিছু চিন্তা করি আমার সন্তান কিংবা নাতি কিন্তু সেই ভালো চিন্তাটিই বাস্তবায়ন করবেন। এবার ভাবেন তো- ইসলাম কি বলে? ইসলাম বলে- মৃত্যুর পর সন্তানদের ভালো কাজের সওয়াব মৃত ব্যক্তির কবরে যাবে। তাহলে সন্তানদের কাজের সাথে সম্পর্কটা কিছুটা আঁচ করতে পেরেছেন নিশ্চয়ই। হাই স্কুলে আমরা চমৎকার একটি ইংরেজি কবিতা পড়েছিলাম। হেনরী ওয়াডসওর্থ লংফেলো’র লেখা। মাত্র বার লাইনের সেই প্রিয় কবিতাটা এখনো আমার কাছে অনেক বেশি প্রিয়। এখন সিলেবাসে আছে কিনা জানিনা। ইদানিং জীবনীমুখী লেখাগুলো সব উবে যাচ্ছে। তাই যারা কবিতাটি পাননি তাদের জন্য তুলে ধরলাম-

The Arrow and the Song

BY HENRY WADSWORTH LONGFELLOW

I shot an arrow into the air,

It fell to earth, I knew not where;

For, so swiftly it flew, the sight

Could not follow it in its flight.

I breathed a song into the air,

It fell to earth, I knew not where;

For who has sight so keen and strong,

That it can follow the flight of song?

Long, long afterward, in an oak

I found the arrow, still unbroke;

And the song, from beginning to end,

I found again in the heart of a friend

হাই স্কুল জীবনে কবিতাটির অর্থ করেছিলাম এভাবে- আমি একটা তীর ছুঁড়ে দিয়েছিলাম বাতাসে। তারপর কোথায় গিয়ে কোন অজানায় সেটা গেলো হারিয়ে। আমি একটা গান একবার গেয়েছিলাম আনমনে, তারপর সেই গানটা মিলিয়ে গেলো হাওয়াদের অদৃশ্য নগরে। তারপর বহুবছর পর কোথায় কোন এক পথের ধারে আমি দেখি আমার বাতাসে ছুঁড়ে দেওয়া তীরটিই গাঁথা আছে এক ওক গাছের বুকে। এভাবে একদিন আমি আবার শুনতে পাই এক বন্ধুর কণ্ঠে সেই পুরো গানটি যেটি মিলিয়ে গিয়েছিল ইথারে ইথারে। আর আজকে এই কবিতাটির ভাবার্থ করার মতো কোনো জ্ঞানই খুঁজে পাচ্ছিনা নিজের ভেতর। আর এজন্য আমি সব সময় ভালো কিছু চিন্তা করি, ভালো কিছু ভাবি, ভালো কিছু করি, ভালো কিছু লিখি। কাগজে লিখে গোল্লা পাকিয়ে ঝুঁড়িতে ফেলে দেয়া কাগজটিতেও থাকুক ভালো একটি বাক্য। যেটি হয়তো আমার ভবিষ্যত প্রজন্ম কিংবা আমার পরকালের জন্যও মঙল বয়ে আনতে পারে। সমুদ্র সৈকতে গিয়ে মুক্ত আকাশে বলবো- “হে বিশ্বব্রহ্মাণ্ড, তুমি এতো সুন্দর! এতো যৌক্তিক!! আর সৃষ্টিকর্তা কতো সুন্দর! কতো যৌক্তিক!!” আর ফেইসবুকের পোষ্টগুলো তো আপনারাই পড়ছেন। আসুন, আপনিও একবার আপনার অবস্থান থেকে ভিন্নমাত্রায় চিন্তা করে দেখুন। সিরিয়াসলি বলছি- আপনার ভালো লাগবে।

]]>
http://muazzem.com/%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%ac%e0%a6%be/feed/ 0
স্বপ্ন- দেখার নাকি চাপিয়ে দেয়ার http://muazzem.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%aa/ http://muazzem.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%aa/#respond Sun, 02 Jul 2017 19:59:47 +0000 http://muazzem.com/?p=13456 মোয়াজ্জেম হোসাইন সাকিল ঃ
স্বপ্ন। নিজেকে নিয়ে হোক আর অন‌্যকে নিয়ে হোক। সেটি স্বপ্ন।
কলেজ জীবনে একুশে টেলিভিশন টেনেছিল আমাকে। আকৃষ্ট করেছিল জ.ই মামুন আর মুন্নী শাহা’র রিপোর্ট।
সেটাই ছিল আমার স্বপ্ন। টিভি স্ক্রীন হয়ে উঠেছিল আমার শেখার টুলস। জ.ই মামুন আর মুন্নী শাহা ছিল আমার শিক্ষক।
মাঝে মাঝে সহপাঠীদের এই স্বপ্নের কথা জানাতাম। তারা খুব মজা নিতো। হাসি ঠাট্টা করতো। মাঝে মাঝে ইংরেজী বলতাম। এজন‌্য অপমানিতও হতে হয়েছিল। কিন্তু আমি স্বপ্নজয়ী। হয়তো এই স্বপ্ন দেখার কারণেই যুক্ত হতে পারি দেশের সবচেয়ে বড় ইংরেজী দৈনিক ডেইলী স্টারের সাথে। ডেইলী স্টারের আমার রিপোর্ট পুরুষ্কারও ছিনিয়ে আনে। ডেইলী স্টার থেকে একুশে টিভি হয়ে যুক্ত হই জ.ই মামুন আর মুন্নী শাহা’র একই পরিবারে। এক যুগের কাছাকাছি সময় ধরে এখনো আছি পরিবারটিতে। হ‌্যাঁ, এটিএন এ। আমার স্বপ্নের পরিবার। কলেজ জীবনে যারা মজা নিতো। তারা এখন মজা নেয় না। অনেকেই বরং সাপোর্ট নেয়।
আমার আশেপাশে ঘনিষ্টজনদের নিয়েও আমি অনেক স্বপ্ন দেখি। পড়ালেখা আর আইটি সেক্টর নিয়ে বেশি দেখি। আমার নিকটজনদের নিয়ে আইটি-স্বপ্নের বীজ বুনি। চারা গজায়। পরিচর্যা করি। একসময় আগাছা গজিয়ে সেগুলোকে ছেয়ে ফেলে। একটা পর্যায়ে গিয়ে থেমে যায় আইটিতে তাদের এগিয়ে চলা।
এতে আমার ভেতর দুই ধরণের কাজ করে। প্রথমটা- আমার একটি স্বপ্ন কেন আমি তাদের উপর চাপিয়ে দিলাম। এজন‌্য অপরাধবোধ কাজ করে। দ্বিতীয়টা- এতো সুন্দর গাইডলাইন এবং সাপোর্ট দেয়ার পরও তারা কেন একটা পর্যায়ে গিয়ে থেমে যায়। এজন‌্য।
নিজেকে খুব অপরাধী মনে হয়। ইচ্ছে করে অপরাধের প্রায়শ্চিত্ত করতে। আমার আইটির স্বপ্নটা ঘনিষ্টজনদের উপর চাপিয়ে দেয়াটা অপরাধ। ইচ্ছা করলে আমার স্বপ্নটা আমি নিজেই পুরণ করতে পারি। অন‌্যদের উপর চাপিয়ে দেয়াটা আসলেই অযৌক্তিক। কেবল এই চিন্তা থেকেই আমি আইটিতে মনোযোগী হলাম। আইটি এখন আমার নিজেরও স্বপ্ন। সাংবাদিকতার কাজ শেষ করে আমার বন্ধুরা যখন ফেইসবুকে সময় কাটায়, আমি তখন অনলাইনে গুরুত্বপূর্ণ কাজে মনোযোগী হই। রাতে অন‌্যরা আড্ডায় মশগুল থাকলেও আমি কম্পিউটার নিয়ে বসে পড়ি। ফলশ্রুতিতে ২০১৩ সালের বেসিস আউটসোর্সিং এওয়ার্ড, ২০১৪ সালে জাতীয় মোবাইল এপস ডেভেলপমেন্ট প্রতিযোগিতায় জেলার প্রথম স্থান, ২০১৫ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ‌্যালয়ের বুথ ক‌্যাম্পে সাফল‌্য, ২০১৬ সালে সেরা ফ্রিল‌্যান্সার হিসেবে প্রিয় মন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক ভাইয়ের হাত থেকে ল‌্যাপটপ গ্রহণ। আমি মনে করি, যাদের জন‌্য আমি আইটিতে স্বপ্ন দেখতাম তারাই এসবের অংশিদার। এসব তাদেরই প্রাপ‌্য ছিল। আমি বসে নেই। স্বপ্নচাষী আমি হালচষে যাই। এই বয়সে এসে নতুন করে পড়াশুনা শুরু করি। অনেক কোর্সে ভর্তি হই। ভার্সিটিতে কম্পিউটার সায়েন্সে ভর্তি হই। কোন শুভাকাঙ্খি কোথাও ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দিলে ভর্তি হয়ে যাই। আমি এবং আমার স্ত্রী পাশাপাশি বসেও কোন কোন কোর্সে পাঠ গ্রহণ করি। এ নিয়ে অনেকেই হাসাহাসিও করে। এই হাসাহাসি আজকের না। অনেক আগেই আমি এসবের মোকাবেলা করতে শিখেছি। অনেকেই বলে, “ভালো জায়গায় আছো। ভালো কাজ করছো। নতুন করে আরো পড়ালেখা করে কি করবে?”
যারা স্বপ্ন দেখে, তারাই কেবল এটা বুঝবে।
আর যাদের নিয়ে স্বপ্ন দেখতাম, সবাই যে হতাশ করেছে তা নয়। একজন আমাকে বেশ পুলকিতও করেছে। আমাকে স্বপ্নের বাগানে ফুল ফুটিয়ে দেখিয়েছে। ফল দিয়েছে। Tahania Nasrin Ripa। আমার স্ত্রী। সে এসএসসি পাশ করার পর তার সাথে আমার বিয়ে হয়। আমাদের সমাজ ব‌্যবস্থাই এমন যে বিয়ের পরদিন থেকেই মেয়েদের পড়ালেখা বন্ধ। অনেকেই ব‌্যতিক্রমও আছে। তাদের প্রতি শ্রদ্ধা। আমাকে ওর পড়ালেখা নিয়মিত করতে অনেক প্রতিকূল পরিবেশ মোকাবেলা করতে হয়েছে। একসময় সে নিজেও হাল ছেড়ে দেয়। আমি হাল ছাড়ার মানুষ নয়। ঘনিষ্টদের অনেকের সাথে সাময়িক সম্পর্কেও টানাপোড়েন হয়। পরে ঠিক হয়ে যায়। অথচ এই মেয়েটি জীবনে একবারও ফেল করেনি। অনেক সম্ভাবনাময়ী। এরকম একটি সম্ভাবনার আতুঁড়ঘরে মৃত‌্যু কিভাবে হতে দিই!
গতকাল যখন অনার্সে তার সেরা রেজাল্টটি আমাকে দেখালো। আনন্দে আমার চোখে অশ্রু চলে এসেছিল। তার চোখের কোনেও মুক্তোকণার মতো বিন্দু বিন্দু অশ্রু গড়িয়ে যেতে দেখলাম। অনেকের কাছেই এটি খুবই সাধারণ কিছু। কোন সাফল‌্যই নয়। অনার্স তো হাজার হাজার মেয়েই পাশ করে। কিন্তু হাজারো প্রতিকূলতা পেরিয়ে যারা এই সাফল‌্যের মুখ দেখে, তাদের কাছে এটি যুদ্ধজয়ের আনন্দ।
আজ তার অনলাইনে ব‌্যস্ততা বেশি। নানা বিষয়ে সার্চ করে পড়াশুনা করছে। মাস্টার্সে কোথায় ভর্তি হবে। মাস্টার্সটা কতদিনে শেষ হবে। কিভাবে বিসিএসটা দেয়া যায়। কিভাবে পিএইচডিটা করা যায়। এসব নানা বিষয়ে সে আজ আমার সাথেও আলোচনা করছে। তাকে নিয়ে দেখা আমার স্বপ্নগুলো নিয়ে সে নাড়াচাড়া করছে। বিষয়টি আমাকে বেশ আবেগপ্রবণ করে তুলেছে। একটা মেয়েকে কতকিছু সামলাতে হয়! স্বামী, শ্বাশুরবাড়ী, বাবারবাড়ী, সন্তান। এতোকিছু সামলিয়ে তুমি স্বপ্ন দেখার পুসরত পাও!
স্বপ্ন দেখতে শেখো। স্বপ্নবুনে চলো। তোমার জন‌্য অনেক ভালোবাসা ও শুভকামনা।
আর যারা গুহার জগত থেকে বেরিয়ে আসতে চাও। এসো। পড়ি।

]]>
http://muazzem.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%aa/feed/ 0
বনসাই http://muazzem.com/%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87/ http://muazzem.com/%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87/#respond Sun, 02 Jul 2017 19:25:52 +0000 http://muazzem.com/?p=13451 মোয়াজ্জেম হোসাইন সাকিল ঃ
১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট। পুরো পৃথিবীই স্বাভাবিক নিয়মে চলছে। জাপানের মানুষগুলো কেবল ঘুম থেকে জেগে কর্ম ব্যস্ত হতে চলেছে। টোকিও শহরে সদ্য ভূমিষ্ট সন্তানকে বুকের প্রথম শালদুধ পান করাচ্ছেন মাতৃত্বজয়ী এক মা। তার ঠোঁটের কোনে লেগে আছে প্রসবানন্দের হাসি। টোকিও থেকে ৫০০ মাইল দূরে হিরোশিমা নামক শহরে প্রসব বেদনায় কাতরাচ্ছেন এক মহিলা। মায়ের গর্ভ থেকে পৃথিবীতে ভূমিষ্ট হতে যাচ্ছে এক শিশু। মায়ের শরীর থেকে এক তৃতীয়াংশ বেরিয়েও এসেছে শিশুটি। প্রসব বেদনা সইতে না পেরে মায়ের আর্তচিৎকারে ভারি হয়ে উঠেছে আশপাশ। সময় ৮ টা বেজে ১৫ মিনিট। বিকট এক শব্দে হারিয়ে গেলো মায়ের আর্তচিৎকার। হ্যাঁ, পৃথিবীর প্রথম পারমাণবিক বোমার শব্দের কথাই বলছি। যুক্তরাষ্ট্র বোমাটির ডাকনাম দিয়েছিল ‘লিটল বয়’। নামে “লিটল বয়” হলেও এই দানব পারমাণবিক বোমার নির্মম ধ্বংসযজ্ঞ যে মোটেও লিটল নয় তা পৃথিবীর সবাই জানেন।
বোমার তীব্রতার কারণে দুই কিলোমিটারের মধ্যে যতগুলো কাঠের স্থাপনা ছিল সব ক’টি মাটির সঙ্গে মিশে যায়। ৫০০ মিটার বৃত্তের মধ্যে আলিশান দালানগুলো চোখের পলকে ভেঙেচুরে ধুলিসাৎ হয়ে যায়। ৫ বর্গমাইল এলাকা মোটামুটি ছাই এবং ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়। বোমা বিস্ফোরিত হওয়ার সময় হিরোশিমা নগরীর লোকসংখ্যা ছিল প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার। পারমাণবিক বোমার দাপটে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার অধিবাসীর মৃত্যু হয়। আহত হয় আরও কয়েক লক্ষ মানুষ। শুধু তাই নয়, এই বিধ্বংসী পারমাণবিক বোমার অভিশাপের নির্মম শিকার হয় পরবর্তী প্রজন্মও। বেঁচে ফেরা অনেক পরিবারে জন্ম নিতে থাকে বিকলাঙ্গ শিশু।
সেদিক থেকে হিরোশিমা থেকে মাত্র ২ মাইল দূরে সম্ভ্রান্ত ইয়ামাকি পরিবারটিকে বেশ সৌভাগ্যবানই বলতে হয়। বোমার তীব্রতায় এই পরিবারের বাসাবাড়ি সম্পূর্ণ তছনছ হয়ে গেলেও পরিবারের অধিকাংশই সেদিন বেঁচে যান। তাদের সাথে থাকা বনসাই বৃক্ষটি থেকে যায় অক্ষত। এরপর থেকে এই বৃক্ষের নাম হয়ে যায় “হিরোশিমা বনসাই”। “হিরোশিমা বনসাই” বৃক্ষটি এখন ইতিহাসের স্বাক্ষী।
ইয়ামাকি পরিবারের এক বংশধর মাসারু ইয়ামাকি ১৯৭৫ সালে হিরোশিমা বনসাই বৃক্ষটি দান করেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় উদ্যান ইউনাইটেড স্টেটস ন্যাশনাল আরবোরেটুম এ হিরোশিমা বনসাইকে রাখা হয়েছে। কিন্তু অতি আশ্চর্যের বিষয় এই যে, গাছটি যুক্তরাষ্ট্রকে দান করার সময় ইয়ামাকি পরিবারের তরফ থেকে সেদিন জানানো হয়নি এই গাছটির নাম “হিরোশিমা বনসাই” কিংবা এই বনসাইয়ের সাথে হিরোশিমার স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে।
২০০১ সালে মাসারু ইয়ামাকির নাতিরা হিরোশিমা বনসাই গাছটিকে দেখতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যান। সেদিন তারা তুলে ধরলেন হিরোশিমা বনসাই এর স্মৃতিকথা। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র এই তথ্যকে সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করে। যুক্তরাষ্ট্র দাবি করে, দু’দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব বাড়াতেই এই উপহার দিয়েছিলেন ইয়ামাকি পরিবার।
২০০৩ সালেও মাসারু ইয়ামাকি পুত্র ইয়াসুয়ো ইয়ামাকি হিরোশিমা বনসাই গাছটি পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। কিন্তু ইয়ামাকি পরিবার বনসাইটি যুক্তরাষ্ট্রকে কেন উপহার দিয়েছিলেন? ইয়ামাকি পরিবার এখনো বিষয়টি বলেননি।
হিরোশিমা বনসাইয়ের বয়স এখন ৪০০ বছর। গাছটি এখনো যুক্তরাষ্ট্রের দানবীয় পারমাণবিক বোমা হামলার স্বাক্ষী হয়ে আছে। প্রায় ৪০০ বছরেরও বেশি বাঁচে এই গাছ। বনসাইটি আরো দীর্ঘায়ু হোক। দানবীয় আচরণের স্বাক্ষী হয়ে থাকুক।
অনেকেরই প্রশ্ন থাকতে পারে, বনসাই কি? আসলে বনসাই হচ্ছে একটি জীবন্ত ভাস্কর্য৷ টব বা ট্রের মধ্যে ফলানো বৃক্ষই বনসাই। শক্ত কাণ্ড রয়েছে এমন বৃক্ষকে ক্ষুদ্রাকৃতিতে রাখার শিল্প এটি। তাই বনসাইকে একটি জীবন্ত শিল্পকর্মও বলতে পারেন।
বনসাই করতে ব্যবহৃত ট্রে, টব বা যে পাত্র ব্যবহার করা হয় তাকে “বন” বলা হয়। আর বন এর উপর ক্ষুদ্রাকৃতির বৃক্ষকে বনসাই বলা হয়।
আমাদের দেশের রাজধানীর বিমান বন্দর সড়কটি সাজানোর জন্য অনেক বনসাই উপহার দিয়েছে চীন। তবে এগুলো ক্ষুদ্রাকৃতির নয়। অপেক্ষাকৃত বৃহদাকৃতির বনসাই। চীন আমাদের বন্ধুপ্রতিম দেশ। আমাদের সাহায্য সহযোগিতা করেন। সাহায্য করতে এসে আমাদের দেশে চীনের অনেক নাগরিকের প্রাণ কেড়ে নিয়েছি আমরা।
আমার আলোচনার বিষয় এসব নয়। আমার আলোচনার বিষয় অন্যকিছু। বনসাই নিয়ে আমার কিছু চমৎকার উপলব্ধি রয়েছে।
একটি বট বৃক্ষের চারা ট্রে অথবা টবে রোপণ করে নিয়ম অনুযায়ী পরিচর্যা করলে শত বছর পরও সেটি ১০ সেন্টিমিটার কিংবা ২০ সেন্টিমিটার আকারের বনসাই।
একই বট বৃক্ষের চারাটি যদি ভূমিতে রোপণ করি কোন পরিচর্যা ছাড়াই শত বছর পর সেটি বিশালাকার বট বৃক্ষ।
এর একটাই কারণ। শেকড়। বৃক্ষের শেকড় ট্রে কিংবা টবের বাইরে যেতে পারেনা বলেই বৃক্ষটি বড় হতে পারে না। সেটি শত শত বছর পরও ১০ কিংবা ২০ সেন্টিমিটার আকারের বনসাই। শোভা পায় সৌখিন কোন মানুষের ড্রয়িং রুমে কিংবা অফিসে।
আর বৃক্ষের শেকড় ট্রে কিংবা টবের বাইরে গিয়ে ভূমিতে ছড়িয়ে করতে পারলেই সেটি শাখা, প্রশাখা ও ডালপালা সমান্তরালে ছড়িয়ে দেয়। পরিণত হয় বিশালাকার বট বৃক্ষে। রোদে অনেক মানুষ একসাথে আশ্রয় নেয় বট বৃক্ষটির ছায়ায়। শত শত পাখি কিচির মিচির করে উড়ে বেড়ায় বট বৃক্ষ জুড়ে।
আসুন, আরেকটু গভিরে গিয়ে চিন্তা করি।
মানুষ। কিছু মানুষ তার নির্দিষ্ট চিন্তা চেতনার বাইরে কিছুই ভাবতে পারে না। সেও এক ধরণের বনসাই। যখনই সে নির্দিষ্ট চিন্তা চেতনার বাইরে গিয়ে সঠিক কিছু ভাবতে পারবে সে তখন সুপার মানুষ হয়ে যায়।
জাতি। বাঙালি বীরের জাতি। বাঘ। আরো কতো কিছু। বৃটিশরা আমাদের দুই শত বছরের মতো শাসন করেছে। শিক্ষা-দিক্ষা তেমন কিছু দেয়নি। কেবল কেরানীগিরি করতে যা লাগে তা শিখতে দিয়েছে। আমরা এখনো চাকরির জন্য আবেদনপত্র লেখা শিখি জীবনের অর্ধেক সময়। চাকরি করার মানষিকতা আমাদের জাতির মাঝে ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে। ঘরে ঘরে চাকরি দেব বললেই দেশের প্রতিটি ঘর খুশিতে আত্মহারা হয়ে যায়। এই জাতি চাকরি নামক ট্রে কিংবা টবের বাইরে ভাবতে শিখেনি। এটা বনসাই জাতি। এই চাকরি থেকে চিন্তা চেতনা যখনই বের করে নতুন উদ্ভাবনের জন্য ভাবতে জানবে, তখনই একটি সমৃদ্ধ জাতি হয়ে যাবে।
বৃত্তের বাইরে চিন্তা করা খুব বড় ব্যাপার নয়।
আমরা মায়ের দুধ পান করা বন্ধ করার পর থেকেই প্রতিদিনই খাবার খাচ্ছি। ভাত খাচ্ছি। অথচ আমাদের ওই ভাত খাওয়া নিয়েই যতো না চিন্তা। কোনভাবেই অন্য মাত্রায় চিন্তার প্রসার করতে পারিনা।
আমার লেখার বিষয় এটা নয়। শেষ পর্যন্ত যে বিষয়টা নিয়ে লিখতে চেয়েছিলাম সেটাই লিখা হচ্ছে না।
আরে না। ভুল ধরেছেন।
আপনি ভাবছেন রাজধানীর বিমান বন্দর সড়কে বনসাই লাগানোর বিষয়টা নিয়ে লিখতে চেয়েছিলাম। সেটা নিয়ে তো লিখেছি।
আসলে আমি লিখতে চেয়েছিলাম একটি মনস্তাত্ত্বিক বিষয় নিয়ে। আর মনস্তাত্ত্বিক বিষয়টা লিখবই বা কেমনে?
যারা মনস্তাত্ত্বিক ব্যাপার নিয়ে নাড়াচাড়া করেন, তারা হয়তো এতোক্ষণে সিগনালটা পেয়েও গেছেন। আসলে এটা লিখে বুঝানোর মতো ব্যাপারও নয়। জাস্ট সিগনালের ব্যাপার।

]]>
http://muazzem.com/%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87/feed/ 0
ধর্মে গরু বনাম ধর্মীয় গুরু http://muazzem.com/%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%81-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a7%9f-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b0/ http://muazzem.com/%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%81-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a7%9f-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b0/#respond Sat, 01 Jul 2017 12:59:18 +0000 http://muazzem.com/?p=13014

তুলনামূলক পড়াশুনা মনের খোরাক দেয়। ছোট বেলায় কেবল পরীক্ষায় ভালো নাম্বার পাওয়ার আশায় গরু রচনা শিখেছিলাম। এই গরু নিয়ে এতো কথা আছে তখন বুঝতে পারিনি। এই গরু ফেক্টটা প্রতিটি ধর্মেই আছে। একটা অন‌্যটার চেয়ে কম নয়। আমরা যদিও মনে করি হিন্দুদের বেলায় গরু ফেক্টটা বেশি। আসলেই ঠিক তেমনটি নয়। প্রতিটি ধর্মেই গরু ফ‌্যাক্ট বিদ‌্যমান।
মুসলিমঃ
মুসলমানদের পবিত্র ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনুল করিমের সবচেয়ে বড় সূরাটির নাম গরু। আল বাকারা। বাকারাহ মানে গাভী। গাভী তো গরুই, তাই না? এটি পবিত্র কুরআনের ২ নম্বর সূরা, এর আয়াত সংখ্যা ২৮৬ টি এবং এর রূকুর সংখ্যা ৪০ টি। এই সূরার ৬৭ থেকে ৭৩ নম্বর আয়াত পর্যন্ত হযরত মুসা (আঃ) এর সময়কার বনি ইসরাইল এর গাভী কুরবানীর ঘটনা উল্লেখ রয়েছে। সবচেয়ে মজার ব‌্যাপার হচ্ছে পবিত্র কুরআনের সবচেয়ে বড় আয়াতটিও সূরা আল বাকারায়। ২৮২ নং আয়াত।
খ্রিষ্টানঃ
বাইবেলেও গরু নিয়ে আলোচনা আছে। আদিপুস্তক 41 তে। আমি হুবুহু তুলে দিচ্ছি-
১. দু’বছর পর ফরৌণ একটা স্বপ্ন দেখলেন। দেখলেন তিনি নীল নদীর ধারে দাঁড়িয়ে রয়েছেন।
২. স্বপ্নে নদী থেকে সাতটা গরু উঠে এসে ঘাস খেতে লাগল। গরুগুলো ছিল হৃষ্টপুষ্ট, দেখতেও ভালো।
৩. এরপর নদী থেকে আরও সাতটা গরু উঠে এসে পাড়ের হৃষ্টপুষ্ট গরুগুলোর গা ঘেঁসে দাঁড়াল।
৪. কিন্তু ঐ গরুগুলো রোগা ছিল, দেখতেও অসুস্থ।
৫. সেই সাতটা অসুস্থ গরু সাতটা হৃষ্টপুষ্ট গরুগুলোকে খেয়ে ফেলল। তখনই ফরৌণের ঘুম ভেঙ্গে গেল।
হিন্দুঃ
হিন্দুদের আদিধর্মীয় গ্রন্থ বেদে আঘ্ন্যা, অহি ও অদিতি হচ্ছে গরুর সমপদ । আঘ্ন্যা মানে যাকে হত্যা করা উচিত নয় । অহি মানে যার গলা কাটা বা জবাই করা উচিত নয় । অদিতি মানে যাকে টুকরো টুকরো করা উচিত নয় ।
বেদ:১/১৬৪/৪৩, বেদ:৫/২৯/৮, বেদ:১/১৬২/৩, বেদ:৪/১/৬, বেদ:১০/৮৯/১৪ সহ বেদের অনেক স্থানে গরুর মাংস খাওয়া নিষিদ্ধ উল্লেখ আছে বলা হয়। অনেকেই আবার অনুবাদে ভিন্ন কথাও উল্লেখ করেন। যেমন ঋগ্বেদ ১০/৮৬/১৩ তে গরু রান্না করার কথা অনুবাদ করেছেন। ঋগ্বেদ ১০/৮৬/১৪ তে ইন্দ্রের জন্য গোবৎস উৎসর্গ করা হয়েছে বলে অনুবাদ করেছেন। মহাভারতের বন পর্ব, খন্ড ২০৭, কিশোরী মোহন গাংগুলির অনুবাদে গরুর মাংস খাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়। Collected works of Swami Vivekananda, Advaita Asharama,1963, Vol III, page 172 তে স্বামী বিবেকানন্দ গরুর মাংস খাওয়ার বিষয়ে উল্লেখ করেছেন।
ধর্মে এই গরু বিষয়ে ধর্মীয় গুরুদের নানা রকম বিশ্লেষণের কারণে মাঝে মাঝে আমরা নিজেরাই গরু হয়ে যাই। সাবধান, ধর্মে এই গরু ফ‌্যাক্ট এর কারণে নিজেরা যেন গরু হয়ে না যাই। নিজেরা মানুষ থাকি। গরু থাকুক গরু। আর গুরু কখনো গরু হলেও সেটি টাইপিং মিসটেক কিংবা প্রিন্টিং মিসটেক হিসেবেই ধরে নেব। গুরুরাও গুরু থাকুক।

]]>
http://muazzem.com/%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%81-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a7%9f-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b0/feed/ 0